Siliguri to Sikkim: ভারত এক বিশাল দেশ। সঙ্গে রয়েছে ভুপ্রাকৃতিক বৈচিত্র্যও। কোথাও সমুদ্র, কোথাও পাহাড়, কোথাও বা মরুভূমি। আর এত বৈচিত্রের জন্যই ভারতকে উপমহাদেশের আখ্যা দেওয়া হয়েছে। বিশাল দেশের জন্য পরিবহণ ব্যবস্থাও আরও উন্নত করতে হচ্ছে সময়ের সাথে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের কালিংপং ও বাগরাকোটের মধ্যে একটি অত্যাধুনিক রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করেছে হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড।
শিলিগুড়ি থেকে সিকিম (Siliguri to Sikkim) পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়াতো ভারতের ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। বেশ কিছু বছর ধরে সিকিমে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণে বারবার শিলিগুড়ি ও সিকিমের সংযোগকারী জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায়ই সময় কখনও বন্যা কখনও ধস, জাতীয় সড়কের পরিষেবা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এতে করে সবসময়ই সমস্যায় পড়তে হয় পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষকে। রাস্তা বন্ধ থাকার সময় ঘুর পথে গরুবাথান পেরিয়ে কালিঙপং হয়ে পৌঁছতে হচ্ছিল সিকিমে।
যার জন্য শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটকের (Siliguri to Sikkim) মাত্র চার ঘণ্টার দূরত্ব বেড়ে হয়েছিল ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। আর সেই জন্য ভোগান্তি কমাতে এই নতুন রাস্তা তৈরির কথা ভাবছে সরকার। ২০১৮ সালে এই বিশেষ রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হলেও প্রায় ৬ বছর পর অবশেষে কাজ শেষের পথে এগিয়ে এসেছে। এই রাস্তা তৈরিতে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাথমিক ভাবে খরচ হয়েছে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা।
আরো পড়ুন: ছুটির মরশুমে দারুন চমক দিলো IRCTC, মাত্র ১৭০০ টাকায় ঘোরা যাবে বৈষ্ণদেবী মন্দির
তবে এই রাস্তা তৈরির কাজ শেষ হলে একদিকে যেমন শিলিগুড়ির সাথে ডুয়ার্স যেমন অন্যদিকে সিকিমের (Siliguri to Sikkim) সাথেও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে। বহুদিন ধরে চলছিল এই রাস্তার তৈরির কাজ। যা ভারতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও পরিবর্তন এনে দেবে। যার ফলে খুব সহজেই উত্তর বঙ্গের সাথে সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি করবে। বিগত কয়েক বছরে এই রাস্তা না থাকায় যে ভোগান্তি হয়েছে অবশেষে যে তার অবসান হতে চলেছে এটা ভেবেই আনন্দিত স্থানীয় মানুষ থেকে পর্যটকরা।
এছাড়া শিলিগুড়ি থেকে সিকিম (Siliguri to Sikkim) যাওয়ার পথে মূল রাস্তা বন্ধ হওয়ার জন্য বারবার সমস্যায় পড়তে হতো পর্যটকদের। এবার নতুন ঝাঁ চকচকে রাস্তা এবং ফ্লাই ওভার তৈরি হয়ে গেলে যাতায়াতের সময় এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যাবে। ফলে একাধিক অফবিট জায়গাও পর্যটকদের জন্য খুলে যেতে পারে বলে আশা করছে পর্যটন দপ্তর।