Pakistan: চোরাকার্যে ভারতের কাছে ধরা পড়ল পাকিস্তান, কি চুরি করল?

Pakistan: দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম একটি রাষ্ট্র হল পাকিস্তান। যা ইসলামিক দেশ হিসেবেও পরিচিত। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম এই দেশ। এবার সেই দেশের নামে উঠল বড়সড় অভিযোগ। চুরি করতে গিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছে ধরা পড়ল পাকিস্তান। পরীক্ষা করতেই উঠে এলো আসল তথ্য। কু-কীর্তি ফাঁস হলো পশ্চিমী দেশের। কোন চুরি কাজে বেইজ্জতি হল প্রতিবেশী দেশের? কিভাবেই বা পর্দা ফাঁস হলো?

কি চুরি করল পাকিস্তান?

চাল চুরির কেসে ভারতের হাতে ধরা খেলো পাকিস্তান (Pakistan)। তাও আবার যে সে চাল নয়, ভারতেরই বাসমতি চালের জাত চুরি করে নিজেদের দেশে ফলিয়ে সেই চাল নিজেদের বলে দাবি করছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ। যে দাবি মিথ্যা বলে জানিয়েছে ভারতীয় কৃষি বিজ্ঞানী। মুখে নয়, একদম হাতেনাতে পরীক্ষা করে পাকিস্তানের চোরাকার্য ধরেছে ভারত।

পাকিস্তানের (Pakistan) অবৈধ চাষ

খবর অনুযায়ী ইসলামিক দেশ পাকিস্তান চোরা পথে ভারত থেকে বাসমতি চাল আমদানি করে তারপর সেই চাল পাকিস্থানের কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাকিস্তানের বিজ্ঞানীরা তা ফলানোর নির্দেশ দেন। তারপরই ভারত থেকে চুরি করে দেশের মাটিতে ওই একই সমগোত্রীয় বাসমতির জাত উৎপাদন করেন পাকিস্তান। তারপর এই অবৈধ চাষ করে সেই চালের প্রজাতি নিজেদের বলে দাবি করে পশ্চিমী দেশ।

কু-কর্মের পর্দা ফাঁস

ভারতের বাসমতি জাত অপসারণ করে নিজ দেশে ফলিয়ে নিজেদের বলে শুধু দাবি করেছে তা নয়। পাকিস্তান (Pakistan) আবেদন জানিয়েছে সেই উৎপাদনকারী বাসমতি চালের প্রজাতিতে জিআই ট্যাগ দেওয়ার। আর এই দেখেই সন্দেহ জাগে ভারতের। যার চরম বিরোধিতা করে মোদির দেশ। মিথ্যাচার বলে দাবি জানায় ভারত। পাশাপাশি পাকিস্তানের এই কু-কর্ম ফাঁস করতে পাকিস্তানের উৎপাদনকারী চালগুলি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে। কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পণ্য রপাতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দীর্ঘক্ষণ তা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে। আর তারপরেই প্রকাশ্যে আসৈ আসল তথ্য। রিপোর্টে জানানো হয় পাকিস্তানের উৎপাদনকারী বাসমতি চালগুলি ভারত থেকে চোরাপথে আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মহাসমুদ্রের নীচে রাস্তা হওয়া আদৌ কি সম্ভব? এমনই এক প্রমাণ মিলেছে

ইউরোপে বেইজ্জতি পাকিস্তানের

পাকিস্তানের এই অবৈধ কাজকর্ম শুধু ভারতের হাতে ধরা পড়েনি, ইউরোপের একাধিক গবেষণা কেন্দ্রেও উঠে এসেছে পাকিস্তানের এই কু-কর্ম। মূলত ভারতীয় একদল কৃষিবিজ্ঞানী ইউরোপীয় ল্যাবে পরিচালিত ডিএনএ পরীক্ষায় ইসলামিক দেশের উৎপাদনকারী চালগুলি নিয়ে বহু পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান। আর সেই ডিএনএ রিপোর্টে উঠে আসে পাকিস্তানের চোরাকার্যের ঘটনা। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সেই ডিএনএ রিপোর্ট। তবে শুধু পুরোনো বাসমতি জাত নয়, রিপোর্ট বলছে এর পাশাপাশি পাকিস্তান গোপনে অবৈধভাবে নতুন বাসমতি পুসা ১৮৪৬ এবং পুসা ১৮৮৫ ধানের জাতও উৎপাদন করেছে।

কি হবে এই অবৈধ চাষের ফসল?

রিপোর্ট অনুযায়ী পাকিস্তানের এই চৌর্য বৃত্তি বহু বছর আগেই ফাঁস করেছিল ভারত। তবে ডিএনএ পরীক্ষার পর সেই মিথ্যাচার আরও স্পষ্ট হলো। তবে চূড়ান্ত ডিএনএ রিপোর্ট এখনো আসেনি। তবে সেই রিপোর্টে যদি পরিষ্কারভাবে আবারো প্রমাণিত হয় পাকিস্তান ভারতের চাল চুরি করে নিজেদের বলে দাবি করছে সেক্ষেত্রে সেই উৎপাদনকারী চালগুলি রপ্তানি করার নির্দেশ পাবে না পাকিস্তান (Pakistan)। তবে অন্যদিকে পাকিস্তানের এই অবৈধ চাষে বিশ্ববাজারে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ভারত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *